তিস্তা ট্রেনের ইতিহাস


লিখেছেন:
পাবলিশ হয়েছে: মার্চ ১৭, ২০২০

১৯৮৬ সালের এই দিনে ঢাকা-দিনাজপুর-ঢাকা রুটে চালু করা হয় এই ট্রেনটি, প্রথমে দুই রেকে এই ট্রেনটি চলতো, ১ম রেকটি ঢাকা-বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত চলাচল করতো এই ১ম রেক ৭০৭ উপ তিস্তা হয়ে বাহাদুরাবাদ পৌছে যাত্রী নামিয়ে ৭০৮ তিস্তা হয়ে ঢাকা ফিরতো,৭০৭ এর যাত্রীগণ বাহাদুরাবাদ গিয়ে ফেরীতে ফুলছড়ী ঘাটে গিয়ে নেমে অপেক্ষমান ২য় রেকে উঠতেন যেটা আগে থেকেই যাত্রীদের জন্য ফুলছড়ি ঘাটে অবস্থান করত,যা আগে ৭০৮ তিস্তার ২য় রেক হিসেবে যাত্রা করে।নাব্যতা স্বল্পতার কারনে ফুলছড়ি ঘাট সরিয়ে তিস্তামুখ ঘাটে নেয়া হলে ৭০৮/৭০৭ তিস্তার রুট হালকা পরিবর্তন হয়।তখন ট্রেনটি ফুলছড়ি ঘাট হয়ে বোনাপাড়া গিয়ে এরপরে দিনাজপুর অভিমুখে যাত্রা করার বদলে তিস্তামুখ ঘাট থেকে ত্রিমোহনী জংশন হয়ে দিনাজপুর অভিমুখে যাত্রা করত।উত্তরবংগ হতে ঢাকার রেল যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে এটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে দিন দিন।সাথে সাথে নদীর দুই পাড়ের (দেওয়ানগঞ্জ,বোনারপাড়া)অর্থনীতিতেও ব্যাপক প্রভাব ফেলে!কিন্তু বংগবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পরে সরাসরি ঢাকার সাথে উত্তরবংগের যোগাযোগ স্থাপন হওয়ার ফলে ফেরি পারাপার বন্ধ করা হয়।তখন ঢাকা-দিনাজপুর রুটে চলাচলকারী একতা এক্সপ্রেস কে ঢাকা-দিনাজপুরে রেখেই ঢাকা-বাহাদুরাবাদ রুটে ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস নামে ট্রেন চালু করা হয়।অন্য দিকে ঢাকা-দিনাজপুরের তিস্তা এক্সপ্রেস ঢাকা-দেঃগঞ্জ রুটে চলে এবং আরেকটি রেক দিয়ে সান্তাহার-দিনাজপুর রুটে দোলনচাপা এক্সপ্রেস চালু করা হয়।ভ্যাকুয়াম রেক দিয়ে বেশ কয়েক বছর দাপিয়ে বেড়ালেও বর্তমানে তিস্তা এক্সপ্রেস ২০১৬ সালে আমদানিকৃত পিটি ইনকা এয়ারব্রেক লালসবুজ রেকে চলাচল করছে।২০১৬ সালের ২রা সেপ্টেম্বর ছিল জামালপুরবাসীর জন্য এক আগাম ঈদ!জামালপুর জেলায় ২রা সেপ্টেম্বর ৪ দিন আগেই ঈদ এসেছি জামালপুর জেলায়,উপলক্ষ?প্রথমবারের মতন বিলাসবহুল রেকে তিস্তা এক্সপ্রেসের চলাচল,এর পরে বয়ে গেছে ৪ বছর,এই ৪ বছরে পরিবর্তন এসেছে ব্যাপক…

৩৪ বছর রেখে ৩৫ তম বছরে পা রাখলো ভালবাসার তিস্তা এক্সপ্রেস 🥰🥰


মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল কেউ দেখতে পারবে না!

আরো পড়তে পারেন