মজলিশ কি?


লিখেছেন:
পাবলিশ হয়েছে: মার্চ ১৮, ২০২০

আজ মজলিশ কি বা মেন্দা কি সেটা বুঝানোর চেষ্টা করবো।
তাহলে একটু মনযোগ সহকারে পড়ুন বিশেষ করে জামালপুর জেলার বাহিরে যারা আছেন তাদের জন্য আজকের লেখাটা।

আঞ্চলিক নামঃ- মজলিস/ব্যাপার/চল্লিশা এটা যারা জামালপুরবাসী আছে তারাই বুঝবে।
অন্য অঞ্চলের যারা আছে তারা হয়তো বা অন্য নামে পরিচিত।আর এটা করা হয় একজন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করার দিন থেকে ৪০ দিনের ভিতরে।

যারা দাওয়াতি থাকেঃ- আশেপাশের ও নিজ এলকার গরীব দুঃখী, প্রতিবেশী এলাকাবাসী আত্মীয়-স্বজন এবং জানাজায় অংশগ্রহণ করা লোকজন।

যে পরিমান লোক দাওয়াতে আসেঃ- এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে মৃত ব্যক্তির পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার উপর

যেমনঃ উদাহরণস্বরূপ মৃতব্যক্তি উচ্চবিত্ত পরিবারের হলে ২/৩ হাজর থেকে ৫/৭হাজার মানুষের জন্য আয়োজন করা হয়! মধ্যবিত্ত হলে এক হাজার থেকে দুই/ আড়াই হাজার মানুষের আয়োজন করা হয়। নিম্নবিত্ত হলে ৫০০ থেকে ১হাজার মানুষের আয়োজন করা হয়। এবং একেবারে গীরব হলেও ২থেকে ৫০০ মানুষের আয়োজন করা হয়।

খাবারের আয়োজনে যা থাকেঃ চাউলের গুড়ার সাথে গরু মহিষ ও খাসির গোশত সাথে প্রয়োজনীয় মশলা দিয়ে সংমিশ্রণে যেটা তৈরি করা হয় সেটা কে আমাদের জামালপুরের আঞ্চলিক ভাষায় মিল্লি/মেন্দা/পিঠালি বলা হয়।এবং সাথে সাদা ভাত থাকে।

আশা করি সবাই আমাদের জামালপুরের ঐতিহ্য গুলোর মধ্যে একটির সমন্ধে সম্পূর্ণ ধারণা পেয়েছেন।

আর এটি চলে আসছে জামালপুর জেলা সৃষ্টির একেবারে আদিকাল থেকে।

আর এই সমস্ত খরচ করা হয় শুধু মাত্র মৃত ব্যাক্তির আত্তার মাগফিরাতের জন্য।

সময়ের বিবর্তনে এভাবেই চলে আসছে আমার জামালপুরের সংস্কৃতি।এভাবেই ভালবেসে ফেলেছি জেলার মানুষ ও আমার সংস্কৃতিকে।


২ টি মন্তব্য
  1. Avatar
    সিফাতে রাব্বি (মিলটন) মে ৫, ২০২০
    Reply

    পিঠালি, আমাদের (জামালপুর বাসি) হেরিটেজ ফুড। অনেকেই মেন্দা বা মিলেনি বলেও ডাকে তবে মোস্ট অব ইউসড্ নাম পিঠালি। তাই আর্টিকেল টি তে মূল নাম পিঠালি ই উল্যেখ করা উচিত ছিল।

    • জামালপুর ডেস্ক
      জামালপুর ডেস্ক সেপ্টেম্বর ১১, ২০২০
      Reply

      আপনার মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ!

মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল কেউ দেখতে পারবে না!

আরো পড়তে পারেন